ভাইরাস কি? কিভাবে এর আবির্ভাব । বাংলায় । জানার জন্য দেখে নিন।

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আপনারা সবাই । আশা করি ভালই আছেন । আবারো ফিরে এলাম আপনাদের কাছে , না আজ কোন টিউটেরিয়াল না । আজ আপনাদের কিছু মজার কথা বলতে এসেছি । তো শুরু করা যাক ।

আমরা সবাই মোটামুটি ভাইরাস কথা টার সাথে পরিচিত । কিন্তু আমরা কেউ কি যানি কি এই ভাইরাস বা কিভাবেই আসলো এই ভাইরাস ? না জেনে থাকলে আমি বলে দিচ্ছি ।

কম্পিউটার ভাইরাস প্রোগ্রাম লেখার অনেক আগে ১৯৪৯ সালে কম্পিউটার বিজ্ঞানি জন ভন নিউম্যান এ বিষয়ে আলোকপাত করেন।তার প্রোগ্রামের ধারণা থেকে ভাইরাস প্রোগ্রামের (তখন সেটিকে ভাইরাস বলা হতো না) আবির্ভাব। পুনরুৎপাদনশীলতার জন্য এই ধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে ভাইরাস হিসেবে প্রথম সম্বোধন করেন আমেরিকার কম্পিউটার বিজ্ঞানি ফ্রেডরিক বি কোহেন। জিবজগতে ভাইরাস পোষক দেহে নিজেঈ পুনরুৎপাদিত হতে পারে।
ভাইরাস প্রোগ্রামও নিজের কপি তৈরি করতে পারে। সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (Arpanet)- এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়। সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাস কে মুছে  ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।
১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (Elk Cloner) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে, ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়্যার টি তৈরি করেন। এর পর থেকে প্রতিবছরই সারাবিশ্বে অসংখ্য ভাইরাসের সৃষ্টি হয়।

528 total views, 4 views today

Comments

So empty here ... leave a comment!

Leave a Reply

Sidebar